০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে পরপর ৩ খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা

  • আপলোড সময় : ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • 10

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বাঁকুড়ায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কর্মী মোহাম্মদ মাফিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে রাজ্য সরকারকে ১০ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন সিজেপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা।

রাঙ্কা নিহত মাফিকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য দিল্লি থেকে বাঁকুড়ার ইন্দাসের কারিশুন্ডা গ্রামে যান। তিনি সঠিক তদন্তের জন্য স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহতের ছেলে আবদুল হাফিজ অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর বাবাকে বাড়িতে ঢুকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মাফিককে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। হাফিজ দাবি করেছেন, হামলার পেছনে তাঁর বাবার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে।

এদিকে, গত শনিবার নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তাঁর ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁদের নয় দিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী নগরীতে কথিত সাংবাদিক ইয়াবাসহ গ্রেফতার

পশ্চিমবঙ্গে পরপর ৩ খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা

আপলোড সময় : ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বাঁকুড়ায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কর্মী মোহাম্মদ মাফিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে রাজ্য সরকারকে ১০ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন সিজেপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা।

রাঙ্কা নিহত মাফিকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য দিল্লি থেকে বাঁকুড়ার ইন্দাসের কারিশুন্ডা গ্রামে যান। তিনি সঠিক তদন্তের জন্য স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহতের ছেলে আবদুল হাফিজ অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর বাবাকে বাড়িতে ঢুকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মাফিককে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। হাফিজ দাবি করেছেন, হামলার পেছনে তাঁর বাবার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে।

এদিকে, গত শনিবার নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তাঁর ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁদের নয় দিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।