১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার নীতি নেই: তথ্যমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ১১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • 2

তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ জানিয়েছেন, দেশের কিছু স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিলের ঘটনাকে সরকারের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডবিরোধী অবস্থান হিসেবে দেখা উচিত নয়। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা নিরাপত্তা সংকটের আশঙ্কা থাকলে অনুষ্ঠান স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে বাধার অভিযোগ ওঠে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে কিছু সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি দেখা গেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নিজস্ব সংস্কৃতির সঙ্গে বসবাস করবে, সেটি সমাজই নির্ধারণ করবে। কিছু মানুষ মাঝে মাঝে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, তবে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনও কনসার্ট বাতিল হলেই তার অর্থ এই নয় যে সরকার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করছে। নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় বা অন্য কারণ থাকতে পারে।

তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিভিন্ন কারণে অনুষ্ঠান বাতিল হতে পারে এবং সব ক্ষেত্রে কোনও গোষ্ঠীর আপত্তিই একমাত্র কারণ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে এখনও অনেক বড় কনসার্ট এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালে বন্যায় ৬৬৯ লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ হাজার ৩৬২

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার নীতি নেই: তথ্যমন্ত্রী

আপলোড সময় : ১১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ জানিয়েছেন, দেশের কিছু স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিলের ঘটনাকে সরকারের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডবিরোধী অবস্থান হিসেবে দেখা উচিত নয়। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা নিরাপত্তা সংকটের আশঙ্কা থাকলে অনুষ্ঠান স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে বাধার অভিযোগ ওঠে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে কিছু সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি দেখা গেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নিজস্ব সংস্কৃতির সঙ্গে বসবাস করবে, সেটি সমাজই নির্ধারণ করবে। কিছু মানুষ মাঝে মাঝে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, তবে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনও কনসার্ট বাতিল হলেই তার অর্থ এই নয় যে সরকার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করছে। নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় বা অন্য কারণ থাকতে পারে।

তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিভিন্ন কারণে অনুষ্ঠান বাতিল হতে পারে এবং সব ক্ষেত্রে কোনও গোষ্ঠীর আপত্তিই একমাত্র কারণ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে এখনও অনেক বড় কনসার্ট এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে।