০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮০ শতাংশ শিশুর সময় কাটে ডিজিটাল ডিভাইসে: গবেষণা

  • আপলোড সময় : ০৪:০০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 1

বাংলাদেশে ৩ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইসে সময় কাটানোর প্রবণতা বেড়েছে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৮০ শতাংশ শিশু বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখে, আর মাত্র ২০ শতাংশ অভিভাবক সন্তানের স্ক্রিন ব্যবহারের সময় পাশে থাকেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগের এক এম.ফিল গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফের তত্ত্বাবধানে মো. জাহিদ হোসাইন খান এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন। গবেষণায় ৫০ জন শিশু এবং তাদের অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন।

গবেষণায় দেখা যায়, ৪০ শতাংশ শিশু দৈনিক ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা এবং ২০ শতাংশ শিশু চার ঘণ্টারও বেশি সময় স্ক্রিনে কাটায়। ৯০ শতাংশ শিশুর প্রধান মাধ্যম মোবাইল ফোন, এরপর টেলিভিশন (৭০%) ও ট্যাব (৫০%)।

অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে গবেষণাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে। ৫০ শতাংশ অভিভাবক মনে করেন, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার ভাষাবিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে ৬০ শতাংশ মনে করেন, যথাযথভাবে ব্যবহৃত হলে স্ক্রিন টাইম ভাষা শেখায় সহায়তা করতে পারে।

গবেষক মো. জাহিদ হোসাইন খান বলেন, ভাষা শেখার জন্য দ্বিমুখী কথোপকথন জরুরি, আর স্ক্রিন সেই যোগাযোগকে একমুখী করে দেয়। অভিভাবকরা যদি কনটেন্ট নিয়ে শিশুর সঙ্গে কথা বলেন, তবে সেটি শেখার প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা আব্বাসের শ্রদ্ধা নিবেদন জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে

৮০ শতাংশ শিশুর সময় কাটে ডিজিটাল ডিভাইসে: গবেষণা

আপলোড সময় : ০৪:০০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে ৩ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইসে সময় কাটানোর প্রবণতা বেড়েছে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৮০ শতাংশ শিশু বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখে, আর মাত্র ২০ শতাংশ অভিভাবক সন্তানের স্ক্রিন ব্যবহারের সময় পাশে থাকেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগের এক এম.ফিল গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফের তত্ত্বাবধানে মো. জাহিদ হোসাইন খান এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন। গবেষণায় ৫০ জন শিশু এবং তাদের অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন।

গবেষণায় দেখা যায়, ৪০ শতাংশ শিশু দৈনিক ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা এবং ২০ শতাংশ শিশু চার ঘণ্টারও বেশি সময় স্ক্রিনে কাটায়। ৯০ শতাংশ শিশুর প্রধান মাধ্যম মোবাইল ফোন, এরপর টেলিভিশন (৭০%) ও ট্যাব (৫০%)।

অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে গবেষণাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে। ৫০ শতাংশ অভিভাবক মনে করেন, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার ভাষাবিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে ৬০ শতাংশ মনে করেন, যথাযথভাবে ব্যবহৃত হলে স্ক্রিন টাইম ভাষা শেখায় সহায়তা করতে পারে।

গবেষক মো. জাহিদ হোসাইন খান বলেন, ভাষা শেখার জন্য দ্বিমুখী কথোপকথন জরুরি, আর স্ক্রিন সেই যোগাযোগকে একমুখী করে দেয়। অভিভাবকরা যদি কনটেন্ট নিয়ে শিশুর সঙ্গে কথা বলেন, তবে সেটি শেখার প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়।