০৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় মাদ্রাসায় শিকলবন্দী শিশু উদ্ধার, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

  • আপলোড সময় : ০৩:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • 7

খুলনায় একটি মাদ্রাসায় ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগে মাদ্রাসার মুহতামিম (প্রধান শিক্ষক) মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ জুলাই) রাতে নগরীর আড়ংঘাটা থানার শলুয়া এলাকার হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শিশুটির পরিবার অভিযোগ করেছে যে, দিনমজুর বাবা ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলেন। তবে মুহতামিম শিশুটিকে ব্যক্তিগত কাজ করাতে বাধ্য করতেন এবং আপত্তি জানালে মারধর ও শাস্তি দেওয়া হতো।

শিশুটির মা রত্না বেগম জানান, তার ছেলে প্রায়ই মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি চলে আসত। রোববার বিকেলে ছেলেকে আনতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজে না পেয়ে মাদ্রাসার একটি কক্ষে পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত মুহতামিমকে আটক করে। উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিশুটির মা বাদী হয়ে আড়ংঘাটা থানায় শিশু আইন, ২০১৩-এর ৭০ ধারায় মামলা করেছেন। আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে-স্কেল অনুমোদন: সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি

খুলনায় মাদ্রাসায় শিকলবন্দী শিশু উদ্ধার, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপলোড সময় : ০৩:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

খুলনায় একটি মাদ্রাসায় ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগে মাদ্রাসার মুহতামিম (প্রধান শিক্ষক) মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ জুলাই) রাতে নগরীর আড়ংঘাটা থানার শলুয়া এলাকার হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শিশুটির পরিবার অভিযোগ করেছে যে, দিনমজুর বাবা ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলেন। তবে মুহতামিম শিশুটিকে ব্যক্তিগত কাজ করাতে বাধ্য করতেন এবং আপত্তি জানালে মারধর ও শাস্তি দেওয়া হতো।

শিশুটির মা রত্না বেগম জানান, তার ছেলে প্রায়ই মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি চলে আসত। রোববার বিকেলে ছেলেকে আনতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজে না পেয়ে মাদ্রাসার একটি কক্ষে পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত মুহতামিমকে আটক করে। উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিশুটির মা বাদী হয়ে আড়ংঘাটা থানায় শিশু আইন, ২০১৩-এর ৭০ ধারায় মামলা করেছেন। আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে।