০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপলোড সময় : ১০:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • 19

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

বেলা ১২টা ২০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উপস্থিত হন এবং বেলা ১টা ৫৩ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন। মামলার চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন ভুক্তভোগী তরুণী, তার স্বামী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের শিক্ষক এবং হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলার সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন জানান, প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শাহ মাহবুবুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের ব্যাটিং নিয়ে মাইকেল ভনের সমালোচনা

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ১০:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

বেলা ১২টা ২০ মিনিটে বিচারক এজলাসে উপস্থিত হন এবং বেলা ১টা ৫৩ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন। মামলার চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন ভুক্তভোগী তরুণী, তার স্বামী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের শিক্ষক এবং হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলার সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন জানান, প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শাহ মাহবুবুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন।