০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

  • আপলোড সময় : ০৬:৩৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • 16

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি পরে সিলেট নগরীর মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহ দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একজন শিক্ষার্থী জানান, খাইরুল ক্যান্টিনের নিম্নমানের খাবারের বিষয়ে ফেসবুক গ্রুপে অভিযোগ করার পর এই মারধরের ঘটনা ঘটে। খাইরুল বলেন, তিনি প্রভোস্টের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলার পর হাসিব তাকে আক্রমণ করেন।

শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষে ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

অভিযুক্ত তারেক রহমান ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, খাইরুল অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তবে অভিযুক্ত হাসিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ বলেন, তিনি কাউকে মারধরের নির্দেশ দেননি এবং হলসংক্রান্ত অভিযোগ সমাধানে সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে দেখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের ব্যাটিং নিয়ে মাইকেল ভনের সমালোচনা

শাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

আপলোড সময় : ০৬:৩৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি পরে সিলেট নগরীর মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহ দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একজন শিক্ষার্থী জানান, খাইরুল ক্যান্টিনের নিম্নমানের খাবারের বিষয়ে ফেসবুক গ্রুপে অভিযোগ করার পর এই মারধরের ঘটনা ঘটে। খাইরুল বলেন, তিনি প্রভোস্টের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলার পর হাসিব তাকে আক্রমণ করেন।

শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষে ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

অভিযুক্ত তারেক রহমান ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, খাইরুল অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তবে অভিযুক্ত হাসিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ বলেন, তিনি কাউকে মারধরের নির্দেশ দেননি এবং হলসংক্রান্ত অভিযোগ সমাধানে সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে দেখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।