রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে কথিত মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সাত আসামির সবাই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। মামলার মূল হোতা শাহ আমানত সাবির ও মো. তাহসীন ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মহিন উদ্দীন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার সাতজনের মধ্যে দুই আসামি অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। রিমান্ড শেষে বাকি পাঁচ আসামিকেও আদালতে হাজির করা হলে তাদেরও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকার একটি বালুর মাঠে অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রথমে ছয়জনকে আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মো. তাহসীন ইসলাম। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
পুলিশের দাবি, আসামিরা ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নামের একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে সদস্য সংগ্রহ ও উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গোপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার প্রবণতা বেড়েছে। এই মামলাটি সম্ভাব্য নেটওয়ার্কভিত্তিক উগ্রবাদী সংগঠনের তৎপরতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।


























