০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আড়াইহাজারে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আতঙ্ক, মাসে ২১০ জনের চিকিৎসা প্রয়োজন

  • আপলোড সময় : ১০:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • 8

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক, বাজার, পাড়া-মহল্লা, স্কুল ও জনবহুল এলাকায় দলবদ্ধভাবে ঘুরে বেড়ানো এসব কুকুরের মধ্যে কয়েকটির আচরণ আক্রমণাত্মক হওয়ায় বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুকুরগুলো পথচারী ও শিশুদের তাড়া করে। আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ জন চিকিৎসা নিতে আসেন, যাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশি। মাসে এই সংখ্যা ২১০ থেকে ২৪০ জনের মধ্যে পৌঁছাতে পারে।

অভিভাবকরা জানান, কুকুরের কামড়ের পর শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং জলাতঙ্কের আশঙ্কায় দ্রুত হাসপাতালে যেতে হয়। এ কারণে পরিবারের ওপর বাড়তি খরচও পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কুকুরের দল রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেখা যায়, যা শিশুদের চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি করছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম চলছে, তবে বর্তমানে ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতাউর রহমান বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে কুকুর নিধন করা যাচ্ছে না।

সচেতন মহলের মতে, কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, শিগগিরই পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল

আড়াইহাজারে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আতঙ্ক, মাসে ২১০ জনের চিকিৎসা প্রয়োজন

আপলোড সময় : ১০:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক, বাজার, পাড়া-মহল্লা, স্কুল ও জনবহুল এলাকায় দলবদ্ধভাবে ঘুরে বেড়ানো এসব কুকুরের মধ্যে কয়েকটির আচরণ আক্রমণাত্মক হওয়ায় বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুকুরগুলো পথচারী ও শিশুদের তাড়া করে। আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ জন চিকিৎসা নিতে আসেন, যাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশি। মাসে এই সংখ্যা ২১০ থেকে ২৪০ জনের মধ্যে পৌঁছাতে পারে।

অভিভাবকরা জানান, কুকুরের কামড়ের পর শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং জলাতঙ্কের আশঙ্কায় দ্রুত হাসপাতালে যেতে হয়। এ কারণে পরিবারের ওপর বাড়তি খরচও পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কুকুরের দল রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেখা যায়, যা শিশুদের চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি করছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম চলছে, তবে বর্তমানে ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতাউর রহমান বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে কুকুর নিধন করা যাচ্ছে না।

সচেতন মহলের মতে, কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।