০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেলওয়ের খালাসি পদে আদালতের রায় বাস্তবায়নে অপপ্রচারের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১০:৪৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • 3

বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসিটি খালাসি পদে আদালতের রায় বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ করেছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে।

রোববার (২ আগস্ট) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান। তারা জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১০ সালে ৮৬৫টি খালাসি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, কিন্তু ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার পরও নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত থাকে।

তিনি জানান, পোষ্য কোটায় নির্বাচিত প্রার্থীরা আদালতে রিট আবেদন করেন এবং গত ৮ জুলাই ৬৬ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

মনির অভিযোগ করেন, আদালতের রায় বাস্তবায়নের এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি নিয়োগ সিন্ডিকেট বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে পোষ্য কোটা সংরক্ষণ এবং যোগ্য আবেদনকারীদের নিয়োগ দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

খাদ্য মজুদ ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে চ্যালেঞ্জের কথা জানালেন খাদ্যমন্ত্রী

রেলওয়ের খালাসি পদে আদালতের রায় বাস্তবায়নে অপপ্রচারের অভিযোগ

আপলোড সময় : ১০:৪৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসিটি খালাসি পদে আদালতের রায় বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ করেছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে।

রোববার (২ আগস্ট) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান। তারা জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১০ সালে ৮৬৫টি খালাসি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, কিন্তু ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার পরও নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত থাকে।

তিনি জানান, পোষ্য কোটায় নির্বাচিত প্রার্থীরা আদালতে রিট আবেদন করেন এবং গত ৮ জুলাই ৬৬ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

মনির অভিযোগ করেন, আদালতের রায় বাস্তবায়নের এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি নিয়োগ সিন্ডিকেট বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে পোষ্য কোটা সংরক্ষণ এবং যোগ্য আবেদনকারীদের নিয়োগ দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।