১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুঠিয়ার পাইকপাড়া ভূমি অফিসে দুর্নীতি ও দালাল চক্রের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ০৯:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • 5

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ব্যাপক দুর্নীতি ও দালাল চক্রের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সুফি এবরার আহমেদ বকসী একটি শক্তিশালী দালাল চক্রের মাধ্যমে জমি সংক্রান্ত সকল সেবা প্রদান করছেন, যেখানে ঘুষ ছাড়া সেবা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

ভুক্তভোগীরা জানাচ্ছেন, অফিসে সরাসরি সেবা নিতে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তবে দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিলে দ্রুত সেবা মিলছে। স্থানীয় বাসিন্দা সারোয়ার হোসেন জিম বলেন, “এই ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো সেবামূলক কাজ হয় না।” তারা অভিযোগ করেছেন যে, নামজারি ও জমির তথ্য সংগ্রহের জন্য ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে।

অফিসের কার্যক্রমে দালাল আফান ও দলিল লেখক তাহের আলী সরকারি নথিপত্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। অপর এক ভুক্তভোগী কালাম হোসেন জানান, অফিস সহায়ক রহিমা খাতুন ও রতন কুমার রাম তার কাছে এক হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।

সুফি এবরার আহমেদ বকসী নামজারি প্রক্রিয়ায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, অফিসে ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে সরকারি জমি ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ মহিনুল হাসান জানান, তার কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লিওনেল মেসির জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা

পুঠিয়ার পাইকপাড়া ভূমি অফিসে দুর্নীতি ও দালাল চক্রের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৯:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ব্যাপক দুর্নীতি ও দালাল চক্রের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সুফি এবরার আহমেদ বকসী একটি শক্তিশালী দালাল চক্রের মাধ্যমে জমি সংক্রান্ত সকল সেবা প্রদান করছেন, যেখানে ঘুষ ছাড়া সেবা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

ভুক্তভোগীরা জানাচ্ছেন, অফিসে সরাসরি সেবা নিতে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তবে দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিলে দ্রুত সেবা মিলছে। স্থানীয় বাসিন্দা সারোয়ার হোসেন জিম বলেন, “এই ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো সেবামূলক কাজ হয় না।” তারা অভিযোগ করেছেন যে, নামজারি ও জমির তথ্য সংগ্রহের জন্য ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে।

অফিসের কার্যক্রমে দালাল আফান ও দলিল লেখক তাহের আলী সরকারি নথিপত্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। অপর এক ভুক্তভোগী কালাম হোসেন জানান, অফিস সহায়ক রহিমা খাতুন ও রতন কুমার রাম তার কাছে এক হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।

সুফি এবরার আহমেদ বকসী নামজারি প্রক্রিয়ায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, অফিসে ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে সরকারি জমি ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ মহিনুল হাসান জানান, তার কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।