ইয়েমেনের তাইজ শহরের কাছে একটি গ্রামে গত মাসে সংঘর্ষ শুরু হলে তাগরিদ আবদুল্লাহ তার তিন সন্তানকে নিয়ে পালানোর সুযোগ পাননি। লড়াইয়ের মধ্যে সন্তানদের রক্ষা করতে ঘরের করিডোরে আশ্রয় নেন তিনি।
তাগরিদ জানান, সংঘর্ষ চলাকালীন তাদের বাড়ির কাছে একটি বিস্ফোরণ ঘটে, যা শিশুদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাঁদতে থাকে এবং তাগরিদও তাদের কান্না থামাতে ব্যর্থ হন। লড়াই থেমে গেলে প্রতিবেশীরা এসে সাহস জোগাতেন, কিন্তু আবার সংঘর্ষ শুরু হলে শিশুদের কান্না ফিরে আসত।
তাগরিদ বলেন, যুদ্ধের কারণে তার সন্তানদের মানসিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। তারা এখন রেগে থাকে এবং একা ঘুমাতে ভয় পায়। নিরাপত্তার কারণে গত ৪ অক্টোবর থেকে তাইজ গভর্নরেটের সরকারি স্কুলগুলো বন্ধ রয়েছে, ফলে শিশুদের বাইরে খেলাধুলা করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট থেকে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত ইয়েমেনজুড়ে ১ হাজার ৬৭৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ৭ হাজার ৩৯৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
তাগরিদ মনে করেন, তার সন্তানদের মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন, কিন্তু যুদ্ধের কারণে সেই সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ চলছে, তাই আমাদের পক্ষে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’


























