কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিনারায়ণপুর ইউনিয়নের পদ্মনগর এলাকায় নির্মাণাধীন একটি সড়কের কাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সড়কের বেসে তিন নম্বর মানের ইটের খোয়া ও মাটি মিশিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। এলজিইডির তদারকির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
পদ্মনগর ব্রিজ থেকে হাওরের ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭৬৭ মিটার নতুন সড়ক নির্মাণকাজ চলছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। প্রকল্পটির কাজ পেয়েছে সুমন নামের এক ঠিকাদার। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে ইট দিয়ে বাঁধাই করা হয়েছে এবং মাঝখানে ইটের খোয়া ফেলা হচ্ছে। তবে ব্যবহৃত খোয়ার বড় অংশই নিম্নমানের বলে মনে হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "আমরা ঠিকাদারের লোকজনকে বারবার বলেছি, এভাবে নিম্নমানের খোয়া দিয়ে রাস্তা করবেন না।" অপর এক বাসিন্দা জানান, "খোয়ার মধ্যে শুধু মাটি আর মাটি। এভাবে রাস্তা কতদিন টিকবে?"
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি। এলজিইডির কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকির অভাবের কারণে এ ধরনের খোয়া সড়কে ব্যবহার করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন।
ঠিকাদার সুমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমরা কোনো অনিয়ম করছি না। সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান অনুযায়ী ভালো মানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে।" কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, "অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এলজিইডির কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ জানান, "নিম্নমানের খোয়াগুলো অপসারণ করা হবে।" তবে স্থানীয়দের দাবি, পুরো কাজের মান যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।


























