০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাকা না দিলে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে ৭ পুলিশ বরখাস্ত

  • আপলোড সময় : ০৩:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • 3

ভারতের উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহরে এক দুগ্ধ ব্যবসায়ীকে থানায় আটক রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগে সিকান্দারবাদ থানার তৎকালীন স্টেশন হাউজ অফিসারসহ (এসএইচও) ৭ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় শুক্রবার (৩১ জুলাই) তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনাটি গত এপ্রিল মাসের, যখন সালমান নামের ওই ব্যবসায়ীকে ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় টোল প্লাজায় আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ সদস্যরা কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই তাকে থানায় নিয়ে যান এবং সেখানে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন।

সালমানের অভিযোগ, থানায় আটক রেখে তার কাছে ২০ লাখ রুপি চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে মাদকদ্রব্য আইনে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর এবং পুলিশের 'এনকাউন্টারে' গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়।

একপর্যায়ে সালমান ৬ লাখ রুপি জোগাড় করে পুলিশ সদস্যদের হাতে তুলে দেন এবং পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির সময়ও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং ঘটনাটি কাউকে না জানাতে বলা হয়।

বুলন্দশহরের সার্কেল অফিসার দীপক কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাব-ইন্সপেক্টর অরুণ কুমার, এসএইচও নীরজ মালিক, কনস্টেবল যোগেশসহ আরও চারজন অজ্ঞাতপরিচয় পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ টোল প্লাজা ও থানার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনীতি ফেরানোর সম্ভাবনা নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য

টাকা না দিলে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে ৭ পুলিশ বরখাস্ত

আপলোড সময় : ০৩:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহরে এক দুগ্ধ ব্যবসায়ীকে থানায় আটক রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগে সিকান্দারবাদ থানার তৎকালীন স্টেশন হাউজ অফিসারসহ (এসএইচও) ৭ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় শুক্রবার (৩১ জুলাই) তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনাটি গত এপ্রিল মাসের, যখন সালমান নামের ওই ব্যবসায়ীকে ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় টোল প্লাজায় আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ সদস্যরা কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই তাকে থানায় নিয়ে যান এবং সেখানে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন।

সালমানের অভিযোগ, থানায় আটক রেখে তার কাছে ২০ লাখ রুপি চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে মাদকদ্রব্য আইনে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর এবং পুলিশের 'এনকাউন্টারে' গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়।

একপর্যায়ে সালমান ৬ লাখ রুপি জোগাড় করে পুলিশ সদস্যদের হাতে তুলে দেন এবং পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির সময়ও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং ঘটনাটি কাউকে না জানাতে বলা হয়।

বুলন্দশহরের সার্কেল অফিসার দীপক কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাব-ইন্সপেক্টর অরুণ কুমার, এসএইচও নীরজ মালিক, কনস্টেবল যোগেশসহ আরও চারজন অজ্ঞাতপরিচয় পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ টোল প্লাজা ও থানার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে।