সৌদি আরব উত্তর ও দক্ষিণ—দুই সীমান্ত থেকেই বড় ধরনের সামরিক হামলার আশঙ্কা করছে। রিয়াদের জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের দাবি, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধানে এই সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে উত্তরে ইরাকি শিয়া মিলিশিয়া এবং দক্ষিণে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা মূল ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রয়টার্স ও সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদির কৌশলগত জ্বালানি অবকাঠামো, বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গোয়েন্দা তথ্য মিলেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার হুতিদের হামলায় সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশে চার বছর বয়সী এক শিশুসহ ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ও শর্ত নিয়ে আলোচনা চলছে। ইরান ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি সতর্ক করে জানিয়েছেন, মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ছাড়া প্রণালিটি উন্মুক্ত করা হবে না।
ইয়েমেনের হাদরামাউত ও মারিব প্রদেশে সৌদি সমর্থিত সরকারি সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩০ সেনা নিহত হয়েছে। হুতি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর সামরিক তৎপরতার জবাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
























