০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাপুরে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত শুরু

  • আপলোড সময় : ১১:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 8

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বসতঘর থেকে এক মা ও তার চার বছরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) ও তাদের চার বছরের মেয়ে রাজিয়া। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে জানা যায়।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন বেড়াতে সিলেটে যান। শুক্রবার সকালে কনিকা তার মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তবে তার শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে কনিকা বাড়িতে ফিরে গিয়ে মেয়েকে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন।

কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং শিশুটিকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখতে পান। স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবি জানালেন প্যাট কামিন্স

মির্জাপুরে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত শুরু

আপলোড সময় : ১১:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বসতঘর থেকে এক মা ও তার চার বছরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) ও তাদের চার বছরের মেয়ে রাজিয়া। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে জানা যায়।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন বেড়াতে সিলেটে যান। শুক্রবার সকালে কনিকা তার মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তবে তার শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে কনিকা বাড়িতে ফিরে গিয়ে মেয়েকে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন।

কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং শিশুটিকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখতে পান। স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।