০১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটের দুই বাঁধে ভাঙনের শঙ্কা, স্থানীয়দের আতঙ্ক

  • আপলোড সময় : ১১:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 0

বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধসহ নদীর কোল ঘেঁষা পাঁচ কিলোমিটার গ্রামরক্ষা বাঁধ ভাঙনের শঙ্কায় রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পানির চাপে বাঁধগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় জোয়ারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এ অবস্থায় বিলপাড় ও নদী পাড়ের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে দিন কাটাচ্ছে। বাঁধ দুটি ভেঙে গেলে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানা যায়, উপজেলার সুরিগাতী, রায়গ্রাম, খিলিগাতী, ডুমুরিয়া, ঝালডাঙ্গা, আরুলিয়া ও খড়িয়া গ্রামগুলোতে ৯০ দশকের পর জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জোয়ার ভাটার পানির চাপে তলিয়ে যেত। পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীর পাশ দিয়ে গ্রাম রক্ষাবাঁধ নির্মাণ করলেও এবছর পানির চাপ বেশি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পানি উপচে পড়ছে।

ডুমুরিয়া স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক হরেন্দ্রনাথ রানা জানান, চিতলমারী উপকূলবর্তী এলাকায় নদীর পানির চাপে শতাধিক গ্রাম পানির নিচে থাকত। ৭০ দশকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নির্মিত বাঁধের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ নিজাম উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রতিবছর বাঁধে মাটির কাজ করা হয়, তবে এবছর পানির চাপ বেশি হওয়ায় ফাটল দেখা দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদীজা আক্তার বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল জানিয়েছেন, দ্রুত বাঁধটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা আব্বাসের শ্রদ্ধা নিবেদন জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে

বাগেরহাটের দুই বাঁধে ভাঙনের শঙ্কা, স্থানীয়দের আতঙ্ক

আপলোড সময় : ১১:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধসহ নদীর কোল ঘেঁষা পাঁচ কিলোমিটার গ্রামরক্ষা বাঁধ ভাঙনের শঙ্কায় রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পানির চাপে বাঁধগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় জোয়ারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এ অবস্থায় বিলপাড় ও নদী পাড়ের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে দিন কাটাচ্ছে। বাঁধ দুটি ভেঙে গেলে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানা যায়, উপজেলার সুরিগাতী, রায়গ্রাম, খিলিগাতী, ডুমুরিয়া, ঝালডাঙ্গা, আরুলিয়া ও খড়িয়া গ্রামগুলোতে ৯০ দশকের পর জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জোয়ার ভাটার পানির চাপে তলিয়ে যেত। পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীর পাশ দিয়ে গ্রাম রক্ষাবাঁধ নির্মাণ করলেও এবছর পানির চাপ বেশি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পানি উপচে পড়ছে।

ডুমুরিয়া স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক হরেন্দ্রনাথ রানা জানান, চিতলমারী উপকূলবর্তী এলাকায় নদীর পানির চাপে শতাধিক গ্রাম পানির নিচে থাকত। ৭০ দশকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নির্মিত বাঁধের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ নিজাম উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রতিবছর বাঁধে মাটির কাজ করা হয়, তবে এবছর পানির চাপ বেশি হওয়ায় ফাটল দেখা দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদীজা আক্তার বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল জানিয়েছেন, দ্রুত বাঁধটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।